এই লেখায়
পেজ খুলে কয়েক মাস বিক্রি করার পর প্রায় সবারই একই প্রশ্ন আসে: আমার অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স কি লাগবে? DBID জিনিসটা কী? পেমেন্ট গেটওয়ে নিতে গেলে কী কী কাগজ চায়? এসব নিয়ে নানা জনের নানা মত শুনে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান।
এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় দেখাব একজন অনলাইন বিক্রেতার কোন কোন কাগজ দরকার, কোনটা কোথা থেকে পাবেন, আর কোনটা কেন জরুরি। ফি আর নিয়ম এলাকা ও সময়ভেদে বদলায়, তাই যেখানে নির্দিষ্ট অঙ্ক নিশ্চিত নয়, সেখানে আমরা কোথায় যাচাই করবেন সেটা বলে দিয়েছি।
অনলাইন ব্যবসায় কাগজপত্র কেন দরকার
ছোট পেজের জন্য কাগজপত্র ঝামেলা মনে হতে পারে। কিন্তু ব্যবসা একটু বড় হলেই এগুলো ছাড়া কিছু কাজ আটকে যায়:
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: ব্যবসার নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে সাধারণত ট্রেড লাইসেন্স আর টিআইএন চায়।
- অনলাইন পেমেন্ট: ওয়েবসাইটে bKash, Nagad বা কার্ডে পেমেন্ট নিতে পেমেন্ট গেটওয়ে আপনার কাগজ যাচাই করে।
- কাস্টমারের আস্থা: পেজ বা ওয়েবসাইটে DBID নম্বর আর ব্যবসার সঠিক নাম-ঠিকানা থাকলে কাস্টমার বুঝতে পারে আপনি নিবন্ধিত বিক্রেতা।
- বড় সুযোগ: কর্পোরেট অর্ডার, সাপ্লায়ার বা মার্কেটপ্লেসের সাথে কাজ করতে প্রায়ই কাগজ লাগে।
এক নজরে চারটি মূল কাগজ:
| কাগজ | কে দেয় | কী প্রমাণ করে | খরচ |
|---|---|---|---|
| ট্রেড লাইসেন্স | সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ | নির্দিষ্ট ঠিকানায় নির্দিষ্ট ব্যবসা চলছে | এলাকা ও ধরনভেদে আলাদা |
| ই-টিআইএন | জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) | আপনার করদাতা পরিচয় (১২ সংখ্যার নম্বর) | সরকারি ফি নেই |
| DBID | বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আবেদন দেখে RJSC | অনলাইন ব্যবসার নিবন্ধিত পরিচয় | সরকারি ফি নেই |
| ব্যবসার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট | যেকোনো তফসিলি ব্যাংক | ব্যবসার টাকা কোথায় জমা হয় | ব্যাংকভেদে আলাদা |
অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স কোথা থেকে নেবেন
ট্রেড লাইসেন্স হলো স্থানীয় সরকারের দেওয়া অনুমতিপত্র, যেখানে লেখা থাকে আপনি কোন ঠিকানায় কী ব্যবসা করছেন। বাকি প্রায় সব আবেদনে এটা চাওয়া হয়, তাই এটাকে ভিত্তি ধরতে পারেন।
আবেদন করবেন আপনার ব্যবসার ঠিকানা যে কর্তৃপক্ষের আওতায় পড়ে, সেখানে:
- ঢাকায়: এলাকা অনুযায়ী ঢাকা উত্তর বা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
- অন্য শহরে: চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রাজশাহীসহ নিজ নিজ সিটি কর্পোরেশন।
- উপজেলা বা গ্রামে: পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনসহ কয়েকটি কর্তৃপক্ষে এখন অনলাইনে নতুন লাইসেন্সের আবেদন করা যায়। কোথাও কোথাও এখনো অফিসে যেতে হয়। তাই প্রথমে আপনার কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন বা অফিসে ফোন করে জেনে নিন।
সাধারণত যেসব কাগজ লাগে
তালিকা এলাকা ও ব্যবসার ধরনভেদে আলাদা হয়, তবে বেশিরভাগ জায়গায় চাওয়া হয়:
- নির্ধারিত আবেদন ফর্ম
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) আর ছবি
- টিআইএন সার্টিফিকেট
- ঠিকানার প্রমাণ: ভাড়ার চুক্তিপত্র বা মালিকানার কাগজ, কখনো ইউটিলিটি বিল
- ব্যবসার নাম ও কী ব্যবসা করবেন তার বিবরণ
- কোম্পানি হলে ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট ও সংশ্লিষ্ট কাগজ
ব্যবসার ধরন ঠিকভাবে লিখুন
ধরুন মিরপুরের এক বিক্রেতা অনলাইনে শাড়ি বিক্রি করেন, কিন্তু কারো পরামর্শে লাইসেন্সে অস্পষ্ট কোনো ধরন লিখে দিলেন। পরে ব্যাংক বা পেমেন্ট গেটওয়ে জানতে চাইতে পারে লাইসেন্সের ব্যবসার সাথে আসল ব্যবসা মিলছে না কেন। তাই যা বিক্রি করেন, সেটাই লিখুন।
ফি আর নবায়ন
ফি নির্ভর করে এলাকা, ব্যবসার ধরন ও আরও কিছু বিষয়ের ওপর। অন্য কারো রসিদ দেখে অঙ্ক ধরে নেবেন না; অফিস থেকে বর্তমান ফি জেনে নিন। ট্রেড লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী নবায়ন করতে হয়, সাধারণত প্রতি অর্থবছরে। মেয়াদ শেষ হওয়া লাইসেন্স দিয়ে ব্যাংক বা গেটওয়ের আবেদন আটকে যেতে পারে, তাই ক্যালেন্ডারে তারিখ লিখে রাখুন।
ই-টিআইএন: ঘরে বসেই, বিনা খরচে
ই-টিআইএন হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দেওয়া ১২ সংখ্যার করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর। আপনি একা ব্যবসা চালালে (একক মালিকানা) টিআইএন হবে আপনার নিজের নামে। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হলে কোম্পানির নামে আলাদা টিআইএন লাগে।
যেভাবে করবেন:
- NBR-এর অফিসিয়াল ই-টিআইএন পোর্টালে যান: secure.incometax.gov.bd।
- নতুন ইউজার হিসেবে রেজিস্টার করে মোবাইল নম্বর বা ইমেইল ভেরিফাই করুন।
- সঠিক করদাতার ধরন বাছুন: ব্যক্তি, ফার্ম বা কোম্পানি।
- NID-তে যেভাবে আছে ঠিক সেভাবে নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা লিখুন।
- সাবমিট করে টিআইএন সার্টিফিকেটের PDF ডাউনলোড করে রাখুন।
অফিসিয়াল পোর্টালে টিআইএন করতে সরকারি কোনো ফি নেই। একটা বিষয় মাথায় রাখুন: টিআইএন থাকলেই ট্যাক্স দিতে হবে এমন নয়, কিন্তু প্রতি বছর রিটার্ন জমা দেওয়ার দায়িত্ব আসতে পারে, আয় কম হলেও। তাই শুরু থেকেই বিক্রি আর খরচের হিসাব রাখুন।
DBID: অনলাইন ব্যবসার ডিজিটাল পরিচয়
২০২১ সালে কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল ব্যবসার জন্য আলাদা পরিচয় চালু করে, যার নাম ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি বা DBID। উদ্দেশ্য সহজ: আসল বিক্রেতাদের আলাদা করে চেনা। নীতিমালা দেখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আর আবেদন যাচাই করে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC)।
কাদের DBID লাগবে
নির্দেশিকা অনুযায়ী অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা প্রায় সব ব্যবসারই DBID নেওয়ার কথা: নিজস্ব ওয়েবসাইট বা অ্যাপের দোকান, ফেসবুক পেজ বা গ্রুপের এফ-কমার্স বিক্রেতা, আর একাধিক বিক্রেতার মার্কেটপ্লেস। আপনি কোম্পানি হোন, একক মালিক হোন বা কোনো নিবন্ধনই না থাকুক, নিয়মটা একই। সিলেটের যে আপা বাসা থেকে হোমমেড খাবারের পেজ চালান, তিনিও এর আওতায় পড়েন।
আবেদন করতে যা লাগে
আবেদন করতে হয় অফিসিয়াল DBID পোর্টালে (dbid.gov.bd), যেখানে myGov দিয়ে লগইন করতে হয়। সাধারণত লাগে:
- মালিকের NID নম্বর
- সচল ইমেইল ও মোবাইল নম্বর
- চালু ওয়েবসাইট বা ফেসবুক বিজনেস পেজের লিংক
- ব্যবসার ঠিকানার প্রমাণ; ভাড়া হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র
- ট্রেড লাইসেন্স থাকলে সেটা; না থাকলেও আবেদন আটকায় না
আবেদনের পর একটা ট্র্যাকিং নম্বর পাবেন। RJSC দেখে আপনার নামে আগে কোনো DBID আছে কিনা, আর আপনার ওয়েবসাইট বা পেজে বাংলায় শর্তাবলি (টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস) দেওয়া আছে কিনা। DBID নিবন্ধনে সরকারি কোনো ফি নেই। অনুমোদনের পর DBID নম্বর ওয়েবসাইট বা পেজে দেখানো বাধ্যতামূলক।
ধৈর্য রাখুন, প্রস্তুতি নিয়ে আবেদন করুন
পত্রপত্রিকার খবর অনুযায়ী DBID আবেদনের বড় একটা জট আছে, আর অনেক আবেদন বাতিল হয় কাগজের ঘাটতি বা বাংলা শর্তাবলি না থাকার কারণে। তাই আবেদনের আগে:
- ডেলিভারির সময়, রিটার্ন ও এক্সচেঞ্জ, রিফান্ড আর পেমেন্টের নিয়ম নিয়ে বাংলায় পরিষ্কার শর্তাবলি লিখুন।
- সেটা ওয়েবসাইটে দিন আর পেজে পিন করে রাখুন।
- সব কাগজে ব্যবসার নাম, ঠিকানা আর মালিকের নাম হুবহু একই রাখুন।
- ট্র্যাকিং নম্বর আর আবেদনের তারিখ সংরক্ষণ করুন।
বাংলা শর্তাবলি লম্বা আইনি ভাষায় লিখতে হবে না। সহজ কথায় লিখুন, যেমন: ঢাকার ভেতরে ও বাইরে কত দিনে ডেলিভারি হয়, পণ্য হাতে পেয়ে সমস্যা থাকলে কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে, কোন ক্ষেত্রে এক্সচেঞ্জ বা রিফান্ড হবে, আর ডেলিভারি চার্জ কে দেবে। এতে DBID আবেদনের পাশাপাশি কাস্টমারের সাথে ভুল বোঝাবুঝিও কমে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট গেটওয়ে ও কুরিয়ার
ট্রেড লাইসেন্স আর টিআইএন হাতে পেলে ব্যবসার নামে একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন। এতে ব্যক্তিগত আর ব্যবসার টাকা আলাদা থাকে, লাভ-ক্ষতি বোঝা সহজ হয়, আর পেমেন্ট গেটওয়ের টাকা জমা হওয়ার জায়গা তৈরি হয়।
ওয়েবসাইটে অনলাইন পেমেন্ট নিতে পেমেন্ট গেটওয়ের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে। প্রতিষ্ঠানভেদে চাহিদা আলাদা, তবে সাধারণত চাওয়া হয়:
- মালিকের NID
- মেয়াদ থাকা ট্রেড লাইসেন্স
- ই-টিআইএন সার্টিফিকেট
- ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
- কিছু প্রতিষ্ঠান DBID চায় (যেমন SSLCommerz তাদের অনবোর্ডিং কাগজের তালিকায় DBID রেখেছে)
- চালু ওয়েবসাইট, যেখানে প্রোডাক্ট, দাম, যোগাযোগ আর রিটার্ন পলিসি দেখা যায়
কুরিয়ারের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা সাধারণত তুলনামূলক সহজ, তবে কী কাগজ লাগবে আর টাকা কীভাবে পাঠাবে তা কুরিয়ারভেদে আলাদা। বিস্তারিত জানতে পড়ুন অনলাইন ব্যবসার জন্য কুরিয়ার সার্ভিস গাইডটি।
কোনটা আগে, কোনটা পরে: ধাপে ধাপে তালিকা
আগে ঠিক করুন: একক মালিকানা নাকি কোম্পানি
বেশিরভাগ ছোট অনলাইন বিক্রেতা একক মালিকানায় (সোল প্রোপ্রাইটরশিপ) ব্যবসা চালান। এর জন্য RJSC-তে আলাদা কোম্পানি নিবন্ধন লাগে না; ট্রেড লাইসেন্স আর নিজের নামের ই-টিআইএন দিয়েই কাজ চলে। ব্যবসার আয় আপনার ব্যক্তিগত আয়ের সাথে যোগ হয়, আর ব্যবসার দেনার দায়ও আপনার নিজের।
ব্যবসা অনেক বড় হলে, পার্টনার নিলে বা বিনিয়োগ আনতে চাইলে তখন প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির কথা ভাবতে পারেন। সেক্ষেত্রে আগে কোম্পানি নিবন্ধন করে তারপর কোম্পানির নামে টিআইএন, ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে হয়। শুরুতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে পরে সব কাগজ নতুন করে করার ঝামেলা থাকে না।
এবার একক মালিকানার জন্য ধাপগুলো। এই ক্রমে এগোলে বারবার দৌড়াতে হয় না:
- NID প্রস্তুত রাখুন। সব কাজের শুরু এখান থেকে।
- অনলাইনে ই-টিআইএন করুন। দ্রুত ও বিনা খরচে হয়, আর ট্রেড লাইসেন্সের আবেদনে সাধারণত এটা লাগে।
- ট্রেড লাইসেন্স নিন সঠিক ব্যবসার ধরন দিয়ে।
- ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন।
- বাংলা শর্তাবলি দিয়ে DBID আবেদন করুন।
- অনলাইন পেমেন্ট চাইলে পেমেন্ট গেটওয়েতে আবেদন করুন।
- বিক্রি বাড়লে ভ্যাটের নিয়ম জানুন। নির্দিষ্ট বার্ষিক টার্নওভারের নিচে পূর্ণ ভ্যাট নিবন্ধন লাগে না, কিন্তু বিক্রি বাড়লে টার্নওভার ট্যাক্স বা ভ্যাট নিবন্ধনের প্রশ্ন আসে। তখন একজন ট্যাক্স পরামর্শকের সাথে কথা বলুন।
এখনো ব্যবসা শুরুই করেননি? তাহলে আগে পড়ুন অনলাইন ব্যবসা শুরু করার নিয়ম। কী বিক্রি করবেন ঠিক করতে না পারলে দেখুন কম পুঁজিতে অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া।
যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
- একেক কাগজে একেক বানান। এক জায়গায় "রূপকথা ফ্যাশন", আরেক জায়গায় "রুপকথা ফ্যাশনস" লিখলে ব্যাংক বা গেটওয়ের যাচাই আটকে যেতে পারে।
- বিনা খরচের কাজে দালালকে টাকা দেওয়া। ই-টিআইএন আর DBID-তে সরকারি ফি নেই।
- লাইসেন্স নবায়ন ভুলে যাওয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স বাকি সব আবেদন আটকে দেয়।
- বাংলা শর্তাবলি ছাড়া DBID আবেদন। বাতিলের অন্যতম বড় কারণ এটা।
- অসম্পূর্ণ ওয়েবসাইট নিয়ে গেটওয়েতে আবেদন। তারা আপনার সাইট খুলে দেখে।
- টিআইএন নিয়ে রিটার্ন না দেওয়া। পরে জরিমানা বা ঝামেলায় পড়তে পারেন।
EasyMall দিয়ে শুরু করুন
DBID বা পেমেন্ট গেটওয়ের আবেদনে একটা গোছানো ওয়েবসাইট অনেক কাজে আসে, কারণ যাচাইকারী এক জায়গায় আপনার প্রোডাক্ট, দাম আর যোগাযোগের তথ্য দেখতে পান। EasyMall-এ পাবেন:
- সাইন আপ করলেই easymall.app ঠিকানায় চালু ওয়েবসাইট, পরে নিজের .com বা .com.bd ডোমেইন যুক্ত করার সুবিধা।
- কোড ছাড়াই ওয়েবসাইটের প্রতিটি লেখা, ছবি আর রং বদলানোর এডিটর, যাতে দোকানের নাম, যোগাযোগ আর DBID নম্বর পরিষ্কারভাবে দেখাতে পারেন।
- প্রোডাক্টের ছবি, দাম, স্টক আর বিবরণ, সাথে ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট ও ঢাকার ভেতরে-বাইরে আলাদা ডেলিভারি চার্জ। দেখুন ক্যাশ অন ডেলিভারি সেটআপ ও ডেলিভারি চার্জ।
- অর্ডার ড্যাশবোর্ড আর বাংলায় উত্তর দেওয়া AI চ্যাট অ্যাসিস্ট্যান্ট।
bKash, Nagad ও কার্ডে অনলাইন পেমেন্ট এবং বিজনেস প্রোফাইল শিগগিরই আসছে। কার্ড বা bKash ছাড়াই সারাজীবন ফ্রি স্টোর ওয়েবসাইট খুলুন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
ফেসবুক পেজে ব্যবসা করতে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?
শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে বিক্রি করা যায়, কিন্তু নিয়মিত ব্যবসা চালালে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া উচিত। অনলাইন ব্যবসারও একটা ঠিকানা থাকে, আর সেই ঠিকানার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স দেয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর পেমেন্ট গেটওয়ের জন্য সাধারণত এটা চাওয়া হয়।
বাসার ঠিকানায় কি ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া যায়?
অনেক কর্তৃপক্ষ বাসার ঠিকানায় লাইসেন্স দেয়, তবে নিয়ম এলাকাভেদে আলাদা। আবেদনের আগে আপনার সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদে জেনে নিন। ভাড়া বাসা হলে সাধারণত ভাড়ার চুক্তিপত্র লাগে।
DBID করতে কি টাকা লাগে?
DBID নিবন্ধনে সরকারি কোনো ফি নেই। কেউ টাকা নিলে সেটা তার সার্ভিস চার্জ, সরকারি ফি নয়। আবেদন করবেন অফিসিয়াল DBID পোর্টালে।
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি DBID আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ। NID আর চালু থাকা ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজের লিংক দিয়ে আবেদন করা যায়, ট্রেড লাইসেন্স থাকলে সেটাও দিতে পারেন। তবে DBID পেলেও ব্যবসার জন্য প্রযোজ্য ট্রেড লাইসেন্সের দরকার থেকে যায়।
ট্রেড লাইসেন্সের ফি কত?
ফি নির্ভর করে আপনার এলাকার কর্তৃপক্ষ, ব্যবসার ধরন ও অন্যান্য বিষয়ের ওপর, আর সময়ের সাথে বদলায়। তাই পুরোনো রসিদ বা কারো কথায় ভরসা না করে সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে বর্তমান ফি জেনে নিন এবং অফিসিয়াল রসিদ রাখুন।
আজই আপনার অনলাইন শপ শুরু করুন
নিজের স্টোর ওয়েবসাইট, ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট আর বাংলায় উত্তর দেওয়া AI অ্যাসিস্ট্যান্ট। সারাজীবন ফ্রি, কোনো পেমেন্ট লাগবে না।
ফ্রি স্টোর খুলুন