এই লেখায়
বাংলাদেশে অনলাইনে কেনাকাটার কথা উঠলেই বেশিরভাগ কাস্টমারের প্রথম প্রশ্ন, "ক্যাশ অন ডেলিভারি আছে তো?" নতুন কোনো পেজ বা ওয়েবসাইট থেকে কিনতে গেলে মানুষ আগে পার্সেল হাতে দেখতে চান, তারপর টাকা দেন। তাই অনলাইন শপ চালাতে হলে ক্যাশ অন ডেলিভারি আর ডেলিভারি চার্জ ঠিকভাবে সেটআপ করা খুব জরুরি।
এই গাইডে দেখব ক্যাশ অন ডেলিভারি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কীভাবে কাজ করে, এর আসল খরচ কী, ঢাকার ভেতরে ও বাইরে ডেলিভারি চার্জ কীভাবে হিসাব করবেন, ফ্রি ডেলিভারি অফার কীভাবে সাজাবেন, আর সব কিছু কাস্টমারকে কীভাবে পরিষ্কার করে দেখাবেন।
ক্যাশ অন ডেলিভারি কেন এত জনপ্রিয়
bKash আর Nagad এখন প্রায় সবার ফোনে আছে, তবুও অচেনা শপ থেকে কেনার সময় বেশিরভাগ কাস্টমার ক্যাশ অন ডেলিভারিই বেছে নেন। কারণগুলো সহজ:
- বিশ্বাস। টাকা দিয়ে প্রোডাক্ট না পাওয়ার ভয় থাকে না।
- প্রোডাক্ট দেখে নেওয়া। রং, সাইজ আর কোয়ালিটি ছবির সাথে মিলছে কিনা দেখা যায়।
- অভ্যাস। অনেকেই সবসময় অনলাইন অর্ডারের টাকা হাতে দিয়ে এসেছেন।
- কার্ড নেই। অনেক কাস্টমারের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড নেই, আর কারো ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা পাঠাতেও অনেকে স্বস্তি পান না।
তাই প্রশ্নটা "ক্যাশ অন ডেলিভারি রাখব কিনা" না, প্রশ্ন হলো "কীভাবে ভালোভাবে চালাব"।
ক্যাশ অন ডেলিভারি কীভাবে কাজ করে: ধাপে ধাপে
একটা ছোট অনলাইন শপ কুরিয়ারের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট দিয়ে কাজ করলে একটা সাধারণ ক্যাশ অন ডেলিভারি অর্ডারের যাত্রা এমন:
- কাস্টমার অর্ডার করেন। ওয়েবসাইটের চেকআউটে, বা Messenger/WhatsApp-এ নাম, ফোন আর ঠিকানা পাঠিয়ে। এখনো কোনো টাকা দেওয়া হয়নি।
- আপনি অর্ডার কনফার্ম করেন। তথ্য মিলিয়ে দেখেন, আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফোন বা মেসেজে প্রোডাক্ট, সাইজ আর মোট টাকা কনফার্ম করেন।
- প্যাক করেন। পার্সেল বা লেবেলে অর্ডার নম্বর আর ঠিক কত টাকা নিতে হবে লিখে দেন।
- কুরিয়ার বুক করেন। কুরিয়ারের মার্চেন্ট প্যানেলে কাস্টমারের নাম, ফোন, ঠিকানা আর ক্যাশ কালেকশনের অঙ্ক দিয়ে পার্সেল এন্ট্রি করেন। কুরিয়ার এসে পিকআপ করে, বা আপনি হাবে দিয়ে আসেন।
- কুরিয়ার ডেলিভারি দিয়ে টাকা নেয়। কাস্টমার না নিলে পার্সেল রিটার্ন হয়ে আপনার কাছে ফেরত আসে।
- কুরিয়ার আপনাকে টাকা দেয়। নিজের ডেলিভারি চার্জ আর COD চার্জ কেটে বাকি টাকা তাদের পেমেন্ট সময়সূচি অনুযায়ী আপনার ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে পাঠায়।
- আপনি অর্ডার ক্লোজ করেন। অর্ডারটা ডেলিভারড বা রিটার্ন হিসেবে মার্ক করেন, যাতে বিক্রি আর স্টকের হিসাব ঠিক থাকে।
ক্যাশ অন ডেলিভারির আসল খরচগুলো
কাস্টমার টাকা দেন বলে মনে হয় ক্যাশ অন ডেলিভারিতে খরচ নেই। কিন্তু প্রতিটা অর্ডারের ভেতরে কয়েকটা খরচ লুকিয়ে থাকে।
- কুরিয়ার চার্জ। সাধারণত এলাকা (ঢাকার ভেতরে, ঢাকার আশপাশ, ঢাকার বাইরে) আর ওজন অনুযায়ী। ভারী পার্সেলে বেশি।
- COD বা ক্যাশ হ্যান্ডলিং চার্জ। অনেক কুরিয়ার সংগ্রহ করা টাকার ওপর ছোট একটা শতাংশ নেয়, প্রায়ই ১% এর কাছাকাছি। কখনো ডেলিভারি চার্জ বাদ দিয়ে হিসাব হয়। নিজের কুরিয়ারের শর্ত পড়ে নিন।
- প্যাকেজিং। পলি, বক্স, বাবল র্যাপ, টেপ, লেবেল।
- রিটার্ন। কাস্টমার পার্সেল না নিলে ডেলিভারি আর রিটার্নের খরচ আপনার ঘাড়ে, বিক্রি শূন্য।
- টাকা আটকে থাকা। স্টক কেনা থেকে কুরিয়ারের পেমেন্ট পাওয়া পর্যন্ত আপনার টাকা কয়েক দিন আটকে থাকে। ঈদ বা পূজার আগে বেশি স্টক তুললে এটা আরও বড় চাপ।
টাকার প্রবাহ ঠিক রাখতে কুরিয়ার কত দিন পরপর আর কোন মাধ্যমে পেমেন্ট দেয় সেটা আগে থেকে জেনে নিন। প্রতিটা পেমেন্ট আসার পর ডেলিভারড অর্ডারের তালিকার সাথে মিলিয়ে দেখুন, যাতে কোনো অর্ডারের টাকা বাদ পড়লে সাথে সাথে ধরা পড়ে। উৎসবের আগে একবারে সব স্টক না তুলে আসল অর্ডার দেখে কয়েক ধাপে কিনুন, আর হাতে কিছু নগদ টাকা রেখে দিন।
আংশিক অগ্রিম কখন নেবেন
আংশিক অগ্রিম মানে কাস্টমার পাঠানোর আগে bKash বা Nagad-এ কিছু টাকা, সাধারণত শুধু ডেলিভারি চার্জটা, দিয়ে দেন, বাকিটা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে। সব অর্ডারে অগ্রিম চাইলে বিক্রি কমে যায়, তাই শুধু ঝুঁকির অর্ডারে নিন:
- দামি প্রোডাক্ট, যেমন ফোন, গ্যাজেট বা বিয়ের পোশাক।
- কাস্টম বা অর্ডার দিয়ে বানানো প্রোডাক্ট, যা ফেরত এলে আর বিক্রি করা যায় না।
- ঢাকার বাইরের নতুন কাস্টমার, যদি ওই এলাকায় রিটার্ন বেশি হয়।
- যে নম্বর আগে পার্সেল ফেরত দিয়েছে।
কখন অনলাইন পেমেন্ট যোগ করবেন
অনলাইন পেমেন্ট ক্যাশ অন ডেলিভারির জায়গা নেয় না, পাশে থাকে। অনেক কাস্টমার নিজে থেকেই bKash-এ দিতে চাইলে, নিয়মিত কাস্টমার বেশি হলে, বা প্রি-অর্ডার আর কাস্টম প্রোডাক্ট বেশি বিক্রি করলে অনলাইন পেমেন্ট যোগ করার কথা ভাবুন। পেমেন্ট গেটওয়ের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের জন্য সাধারণত ট্রেড লাইসেন্সসহ ব্যবসার কাগজপত্র লাগে। বিস্তারিত পাবেন অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স ও DBID লেখায়।
রিটার্ন কমানোর বিস্তারিত উপায় পাবেন ফেক অর্ডার কমানোর উপায় লেখায়।
ঢাকার ভেতরে ও বাইরে ডেলিভারি চার্জ কীভাবে হিসাব করবেন
বেশিরভাগ কুরিয়ার এলাকাভেদে আলাদা রেট নেয়, তাই শপগুলোও সাধারণত দুইটা চার্জ রাখে: ঢাকার ভেতরে কম, ঢাকার বাইরে বেশি। কাস্টমাররাও এটাতেই অভ্যস্ত।
অন্য পেজের চার্জ কপি না করে নিজের আসল খরচ বের করুন। ধরা যাক মিরপুরের একটা থ্রি-পিসের শপ। নিচের সংখ্যাগুলো শুধু উদাহরণ, নিজের কুরিয়ারের বর্তমান রেট বসিয়ে হিসাব করুন।
ধরি, ১ কেজি পর্যন্ত পার্সেলে কুরিয়ারের রেট ঢাকার ভেতরে ৳৭০ আর বাইরে ৳১৩০। গড় অর্ডার ৳১,৫০০, COD চার্জ ১%, প্যাকেজিং ৳১৫, আর রিটার্নের জন্য প্রতি পার্সেলে ঢাকার ভেতরে ৳১০ ও বাইরে ৳২০ ধরা হলো।
| খরচ | ঢাকার ভেতরে | ঢাকার বাইরে |
|---|---|---|
| কুরিয়ার চার্জ (উদাহরণ) | ৳৭০ | ৳১৩০ |
| COD চার্জ (৳১,৫০০ এর ১%) | ৳১৫ | ৳১৫ |
| প্যাকেজিং | ৳১৫ | ৳১৫ |
| রিটার্নের জন্য বাড়তি | ৳১০ | ৳২০ |
| প্রতি পার্সেলে আসল খরচ | ৳১১০ | ৳১৮০ |
এখন শপটা জানে, প্রতিটা ঢাকার ভেতরের অর্ডারে আসল খরচ প্রায় ৳১১০, বাইরের অর্ডারে প্রায় ৳১৮০। কাস্টমারের কাছ থেকে যদি ৳৭০ আর ৳১৩০ নেওয়া হয়, তাহলে প্রতি পার্সেলে ৳৪০ আর ৳৫০ যাচ্ছে প্রোডাক্টের লাভ থেকে।
চার্জ কাস্টমারকে দেবেন, নিজে নেবেন, নাকি ভাগ করবেন
আসল খরচ জানার পর তিনটা পথ আছে:
- পুরোটা কাস্টমারকে দেওয়া। লাভ নিরাপদ থাকে, কিন্তু চার্জ অন্য পেজের তুলনায় বেশি লাগতে পারে।
- পুরোটা নিজে বহন করা। ফ্রি ডেলিভারি দিয়ে খরচটা দাম বা লাভের মধ্যে রাখা। বেশি লাভের প্রোডাক্টে চলে, কিন্তু ৳৫০০ এর প্রোডাক্টে ৳১৮০ ডেলিভারি খরচ পুরো লাভ খেয়ে ফেলতে পারে।
- ভাগ করা (সবচেয়ে প্রচলিত)। কাস্টমারকে কুরিয়ারের মূল রেটের কাছাকাছি একটা গোল অঙ্ক দেখানো, আর COD চার্জ, প্যাকেজিং ও রিটার্নের ছোট খরচ নিজের লাভ থেকে বহন করা।
যেটাই বেছে নিন, প্রোডাক্টের দাম আর ডেলিভারি চার্জ মিলিয়ে সব খরচের পরেও লাভ থাকছে কিনা দেখুন। না থাকলে শুধু ডেলিভারি চার্জ না, প্রোডাক্টের দামও ঠিক করুন।
ফ্রি ডেলিভারি অফার: টাকার হিসাবসহ
বাংলাদেশে ফ্রি ডেলিভারি সবচেয়ে কাজের অফারগুলোর একটা। কৌশল হলো, একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের ওপরে ফ্রি ডেলিভারি দেওয়া, যাতে লাভ না কমে বরং অর্ডারের অঙ্ক বাড়ে।
সাধারণ নিয়ম: আপনার এখনকার গড় অর্ডারের একটু ওপরে সীমা রাখুন, যাতে অনেক কাস্টমার আরেকটা প্রোডাক্ট যোগ করে সেই সীমায় পৌঁছান।
ধরুন সিলেটের একটা ঘরে বানানো খাবারের ব্যবসা। গড় অর্ডার ৳৯০০, আর ডেলিভারির আসল খরচ প্রায় ৳১১০। তারা ৳১,২০০ এর ওপরে ফ্রি ডেলিভারি দিল।
- কার্টে ৳৯০০ এর খাবার থাকা কাস্টমার ৳৩৫০ এর এক বয়াম আচার যোগ করে ৳১,২৫০ করলেন, ফ্রি ডেলিভারি পেলেন।
- ওই আচারে লাভ যদি ৳১২০ হয়, তাহলে শপের বহন করা ৳১১০ ডেলিভারি খরচ সেখান থেকেই উঠে আসে।
- যারা ৳১,২০০ পর্যন্ত যান না, তারা সাধারণ চার্জই দেন।
ঢাকার বাইরে খরচ বেশি বলে কিছু শপ শুধু ঢাকার ভেতরে ফ্রি ডেলিভারি দেয়, বা বাইরের জন্য বেশি সীমা রাখে। আপনার চেকআউটে যদি একটাই ফ্রি ডেলিভারি সীমা রাখা যায়, তাহলে এমন অঙ্ক বেছে নিন যেটা ঢাকার বাইরের খরচেও লাভজনক থাকে। ঈদ আর পূজায় সীমিত সময়ের অফার দিন, শেষ তারিখসহ: "২৫ রমজান পর্যন্ত ৳২,০০০ এর ওপরে সারা দেশে ফ্রি ডেলিভারি।"
ডেলিভারি চার্জ কোথায় কীভাবে দেখাবেন
লুকানো বা অস্পষ্ট ডেলিভারি চার্জ পার্সেল ফেরত আসার একটা বড় কারণ। কাস্টমার যেখানে সিদ্ধান্ত নেন, সেখানেই চার্জ দেখান।
Facebook পেজে
- প্রতিটা পোস্ট আর অ্যাডের ক্যাপশনে: "দাম ৳১,৮৫০। ডেলিভারি চার্জ: ঢাকার ভেতরে ৳৭০, ঢাকার বাইরে ৳১৩০। সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি।"
- পিন করা পোস্টে পুরো ডেলিভারি আর রিটার্ন পলিসি।
- Messenger-এর সেভড রিপ্লাইয়ে, যাতে সব উত্তর একই রকম থাকে।
ওয়েবসাইটে
- প্রোডাক্ট পেজে দামের কাছে বা বিবরণে।
- ঘোষণা বারে ফ্রি ডেলিভারি অফার।
- চেকআউটে, যেখানে কাস্টমার ঢাকার ভেতরে বা বাইরে বেছে নিয়ে কনফার্মের আগেই চার্জ আর মোট টাকা দেখেন।
ওয়েবসাইট নিজে থেকে চার্জ হিসাব করে দিলে দুই দিকেই ভুল কমে। ওয়েবসাইট বানানোর পুরো প্রক্রিয়া জানতে পড়ুন ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার নিয়ম, আর কুরিয়ার বাছাইয়ের জন্য অনলাইন ব্যবসার জন্য কুরিয়ার সার্ভিস।
যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
- নিজের খরচ না জেনে অন্য পেজের চার্জ কপি করা।
- ওজন ভুলে যাওয়া। ব্লেন্ডার বা রাইস কুকারের মতো ভারী প্রোডাক্টে খরচ অনেক বেশি।
- COD চার্জ আর রিটার্নের খরচ হিসাবে না ধরা।
- বারবার চার্জ বদলানো, এতে নিয়মিত কাস্টমার বিভ্রান্ত হন।
- সীমা ছাড়া ফ্রি ডেলিভারি কম দামের প্রোডাক্টে।
- কুরিয়ারের পেমেন্ট না মেলানো। প্রতিটা পেমেন্ট ডেলিভারড অর্ডারের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
কুরিয়ার রেট বদলালে বা কয়েক মাস পরপর একবার নিজের ডেলিভারি চার্জ আবার হিসাব করুন।
EasyMall দিয়ে শুরু করুন
EasyMall বানানো হয়েছে বাংলাদেশের ক্যাশ অন ডেলিভারি শপের কথা মাথায় রেখে:
- ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, যা নাম, যাচাই করা বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর আর পুরো ঠিকানা নেয়।
- ঢাকার ভেতরে আর বাইরে নিজের মতো ডেলিভারি চার্জ, সাথে চাইলে ফ্রি ডেলিভারির সীমা।
- অর্ডার কনফার্মেশন পেজে অর্ডার নম্বর আর ডেলিভারিতে কত টাকা দিতে হবে।
- অর্ডার ড্যাশবোর্ড: পেন্ডিং, কনফার্মড, ডেলিভারড, ক্যানসেল আর রিটার্ন, আর অর্ডারের সাথে স্টক নিজে থেকে কমে-বাড়ে।
- এডিট করা যায় এমন ঘোষণা বার, ফ্রি ডেলিভারি অফার দেখানোর জন্য।
কুরিয়ার বুকিং (Steadfast, Pathao, RedX) আর bKash, Nagad ও কার্ডে অনলাইন পেমেন্ট শিগগিরই আসছে। কোনো কার্ড বা bKash ছাড়াই সারাজীবন ফ্রি স্টোর ওয়েবসাইট খুলুন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
ক্যাশ অন ডেলিভারি কীভাবে কাজ করে?
কাস্টমার টাকা না দিয়েই অর্ডার করেন। আপনি অর্ডার কনফার্ম করে প্যাক করে কুরিয়ারে দেন। কুরিয়ার পার্সেল পৌঁছে দিয়ে কাস্টমারের কাছ থেকে টাকা নেয়, নিজের চার্জ কেটে বাকি টাকা আপনার ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে পাঠায়।
কুরিয়ারের COD চার্জ কত?
অনেক কুরিয়ার ক্যাশ অন ডেলিভারি পার্সেলে সংগ্রহ করা টাকার ওপর ছোট একটা শতাংশ চার্জ নেয়, প্রায়ই ১% এর কাছাকাছি। কীভাবে হিসাব হয় আর এখন কত, সেটা কুরিয়ারভেদে আলাদা, তাই নিজের কুরিয়ারের বর্তমান রেট কার্ড দেখে নিন।
ঢাকার ভেতরে আর বাইরে ডেলিভারি চার্জ কত রাখব?
অন্য পেজ দেখে না, নিজের খরচ হিসাব করে ঠিক করুন: আপনার পার্সেলের ওজনে কুরিয়ারের রেট, COD চার্জ, প্যাকেজিং আর রিটার্নের জন্য একটু বাড়তি। তারপর ঠিক করুন কতটা কাস্টমারকে দেবেন আর কতটা নিজে বহন করবেন।
ফ্রি ডেলিভারি দেওয়া কি লাভজনক?
সব অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি দিলে লাভ খেয়ে ফেলতে পারে। একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের ওপরে ফ্রি ডেলিভারি দিলে কাস্টমার আরেকটা প্রোডাক্ট যোগ করেন, আর বড় অর্ডারের লাভ দিয়েই ডেলিভারির খরচ উঠে আসে।
কুরিয়ার কত দিনে টাকা দেয়?
এটা কুরিয়ার আর আপনার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের ওপর নির্ভর করে। বেশিরভাগ কুরিয়ার ডেলিভারির পর নির্দিষ্ট সময় পরপর পেমেন্ট দেয়। সাইন আপের আগেই পেমেন্টের সময়সূচি আর পদ্ধতি জেনে নিন।
আজই আপনার অনলাইন শপ শুরু করুন
নিজের স্টোর ওয়েবসাইট, ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট আর বাংলায় উত্তর দেওয়া AI অ্যাসিস্ট্যান্ট। সারাজীবন ফ্রি, কোনো পেমেন্ট লাগবে না।
ফ্রি স্টোর খুলুন