এই লেখায়
- ওয়েবসাইট আসলে আপনার ব্যবসায় কী কাজে লাগে
- ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার নিয়ম: প্রথমে প্ল্যাটফর্ম আর ডোমেইন
- ধাপ ৩: স্টোরের ডিজাইন সাজান
- ধাপ ৪: প্রোডাক্ট ঠিকমতো যোগ করুন
- ধাপ ৫: চেকআউট, ক্যাশ অন ডেলিভারি আর ডেলিভারি চার্জ
- ডেলিভারি আর কাস্টমার সার্ভিসের প্রস্তুতি
- ধাপ ৮: লঞ্চ করুন আর প্রথম ভিজিটর আনুন
- EasyMall দিয়ে শুরু করুন
ফেসবুক পেজে অর্ডার আসছে, কিন্তু প্রতিদিন একই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আপনি ক্লান্ত? "দাম কত?", "সাইজ আছে?", "ঢাকার বাইরে চার্জ কত?" এর মধ্যে কেউ ঠিকানা অর্ধেক দেয়, কেউ নাম্বার ভুল লেখে। এই সময়টাতেই বেশিরভাগ সেলার একটা নিজের ওয়েবসাইটের কথা ভাবেন।
এই লেখায় ধাপে ধাপে দেখাবো ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার নিয়ম, একদম বাংলাদেশের সেলারদের কথা মাথায় রেখে। প্ল্যাটফর্ম বাছাই থেকে শুরু করে প্রথম ক্যাশ অন ডেলিভারি অর্ডার পর্যন্ত। কোডিং জানার দরকার নেই।
ওয়েবসাইট আসলে আপনার ব্যবসায় কী কাজে লাগে
অনেকে ভাবেন ওয়েবসাইট মানে শুধু একটা সুন্দর ক্যাটালগ। আসলে এটা আপনার ব্যবসার অনেকগুলো সমস্যা একসাথে সমাধান করে:
- কাস্টমার আপনার জন্য অপেক্ষা করে না। দাম, স্টক আর ডেলিভারি চার্জ দেখে রাত ২টায়ও অর্ডার দিয়ে দিতে পারে।
- অর্ডারের তথ্য ঠিকঠাক আসে। নাম, মোবাইল নাম্বার, পুরো ঠিকানা সব একই ফরম্যাটে, মেসেঞ্জারের মতো টুকরো টুকরো নয়।
- একটা লিংকেই পুরো দোকান। ফেসবুক বায়ো, হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস, অ্যাড আর প্যাকেটের ওপর একই লিংক।
- গুগলে খুঁজে পাওয়া যায়। ফেসবুক পোস্ট এক-দুই দিনে হারিয়ে যায়, কিন্তু ওয়েবসাইটের প্রোডাক্ট পেজ বছরের পর বছর সার্চে আসতে পারে।
- বিশ্বাস বাড়ে। নিজের ডোমেইনসহ একটা গোছানো ওয়েবসাইট দেখলে নতুন কাস্টমার বেশি ভরসা পান।
ফেসবুক আর ওয়েবসাইটের পার্থক্য নিয়ে বিস্তারিত পড়তে পারেন ফেসবুক পেজের পাশাপাশি ওয়েবসাইট কেন দরকার লেখায়।
ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার নিয়ম: প্রথমে প্ল্যাটফর্ম আর ডোমেইন
ওয়েবসাইট বানানোর কাজ শুরু হয় দুটো সিদ্ধান্ত দিয়ে: কোন প্ল্যাটফর্মে বানাবেন, আর দোকানের ঠিকানা কী হবে। এই দুটো ঠিক থাকলে বাকি কাজ অনেক সহজ।
ধাপ ১: কীভাবে বানাবেন সেটা ঠিক করুন
বাংলাদেশে অনলাইন শপ ওয়েবসাইট বানানোর মূলত তিনটা উপায় আছে। প্রতিটা আলাদা ধরনের ব্যবসার জন্য ভালো।
| উপায় | কাদের জন্য ভালো | কী খেয়াল রাখবেন |
|---|---|---|
| ডেভেলপার বা এজেন্সি দিয়ে কাস্টম সাইট | বড় ব্র্যান্ড, যাদের বিশেষ চাহিদা ও বাজেট আছে | খরচ সবচেয়ে বেশি; ছোট পরিবর্তনেও ডেভেলপার লাগে; হোস্টিং ও সিকিউরিটি আপনার দায়িত্ব |
| WordPress ও WooCommerce | যারা নিজে ওয়েবসাইট সামলাতে পারেন | হোস্টিং, থিম, প্লাগিন আর নিয়মিত আপডেট লাগে; লোকাল ফিচারের মান প্লাগিনের ওপর নির্ভর করে |
| হোস্টেড স্টোর বিল্ডার | বেশিরভাগ ছোট ও মাঝারি সেলার | দেখুন ক্যাশ অন ডেলিভারি, টাকায় দাম আর ঢাকার ভেতরে-বাইরে ডেলিভারি চার্জ আছে কিনা |
ফেসবুক থেকে আসা বেশিরভাগ সেলারের জন্য স্টোর বিল্ডারই সবচেয়ে সহজ আর কম খরচের শুরু। সার্ভার সামলাতে হয় না, HTTPS আগে থেকেই থাকে, আর নিজেই সব বদলাতে পারেন।
প্ল্যাটফর্ম বাছাইয়ের সময় এগুলো মিলিয়ে নিন:
- বাংলাদেশের জন্য তৈরি কিনা: টাকায় দাম, ক্যাশ অন ডেলিভারি, এরিয়া অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ, বাংলা লেখা ঠিকমতো দেখায় কিনা।
- মোবাইলে কেমন চলে: নিজের ফোনে, মোবাইল ডাটায় ডেমো স্টোর খুলে দেখুন।
- নিজে এডিট করা যায় কিনা: লেখা, ছবি, রং বদলাতে ডেভেলপার লাগলে চলবে না।
- নিজের ডোমেইন লাগানো যায় কিনা, SSL সহ।
- অর্ডার আর স্টক এক জায়গায় দেখা যায় কিনা।
ধাপ ২: দোকানের নাম আর ডোমেইন ঠিক করুন
ডোমেইন হলো ইন্টারনেটে আপনার দোকানের ঠিকানা, যেমন rupkotha.com। ছোট রাখুন, মুখে বললে সহজে বানান করা যায় এমন রাখুন, আর ফেসবুক পেজের নামের কাছাকাছি রাখুন যাতে কাস্টমার চিনতে পারেন।
- .com সবচেয়ে পরিচিত, যেকোনো রেজিস্ট্রার থেকে সাথে সাথে কেনা যায়।
- .com.bd দেখায় আপনি বাংলাদেশি ব্যবসা। এটা BTCL ও তাদের অনুমোদিত রিসেলারের মাধ্যমে নিতে হয়, সাধারণত NID বা পাসপোর্টের মতো কাগজ লাগে আর .com এর চেয়ে একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
- নামে হাইফেন আর সংখ্যা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
শুরুতেই ডোমেইন না থাকলেও সমস্যা নেই। EasyMall এ সাইন আপ করলেই yourshop.easymall.app এর মতো একটা ফ্রি ঠিকানা পাবেন, পরে নিজের ডোমেইন লাগাতে পারবেন। ডোমেইন কেনা আর লাগানোর পুরো নিয়ম আছে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার গাইডে।
ধাপ ৩: স্টোরের ডিজাইন সাজান
প্রোডাক্ট যোগ করার আগে বেসিক জিনিসগুলো ঠিক করে নিন:
- লোগো আর রং। ফেসবুক পেজের লোগো আর ব্র্যান্ডের রং ব্যবহার করুন, যাতে কাস্টমার বুঝতে পারেন এটা একই দোকান।
- হোমপেজ ব্যানার। একটা পরিষ্কার ছবি আর এক লাইনে আপনি কী বিক্রি করেন, যেমন "হাতে বোনা সুতি শাড়ি, সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি"।
- অ্যানাউন্সমেন্ট বার। ওপরে ছোট একটা লাইন: "ঢাকার ভেতরে ৳১,৫০০ এর বেশি অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি"।
- যোগাযোগের তথ্য। ফোন নাম্বার, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক পেজের লিংক। অনেক কাস্টমার অর্ডারের আগে এগুলো দেখে নেন।
- পলিসি। ডেলিভারি কত দিনে হয়, এক্সচেঞ্জ ও রিটার্নের নিয়ম, পেমেন্ট কীভাবে। ছোট আর পরিষ্কার করে লিখুন।
EasyMall এর এডিটরে যেকোনো লেখায় ক্লিক করে বদলাতে পারেন, ছবি আপলোড করতে পারেন, অ্যানাউন্সমেন্ট বার আর পেজের ব্যাকগ্রাউন্ডের রং বেছে নিতে পারেন। লেখার সাথে সাথেই প্রিভিউতে দেখা যায়।
ধাপ ৪: প্রোডাক্ট ঠিকমতো যোগ করুন
আপনি যখন ঘুমাচ্ছেন, তখন প্রোডাক্ট পেজই বিক্রি করে। তাই এই ধাপে সময় দিন।
- পরিষ্কার নাম। "নতুন কালেকশন 🔥" না লিখে লিখুন "মেয়েদের সুতি কুর্তি, নীল, সাইজ M-XL"। মানুষ জিনিসের নাম দিয়েই খোঁজে।
- ভালো ছবি। দিনের আলোয় তোলা, প্রোডাক্ট ফ্রেম ভরে আছে, ব্যাকগ্রাউন্ড পরিষ্কার। বিস্তারিত পড়ুন মোবাইল দিয়ে প্রোডাক্টের ছবি তোলার নিয়ম। EasyMall এ ব্রাউজারেই ফ্রি তে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা যায়।
- দাম আর অফার। বর্তমান দাম দিন, সেলে থাকলে আগের দামও দেখান। যেমন আগের দাম ৳২,৫০০, এখন ৳১,৯৫০।
- স্টক। কয়টা আছে লিখে দিন। শূন্য হলে প্রোডাক্টে "স্টক আউট" দেখাবে, ফলে যা নেই তার অর্ডার আসবে না।
- বিবরণ। সাইজ, কাপড়, মাপ, রং, প্যাকেটে কী কী থাকছে, কীভাবে যত্ন নিতে হবে। মেসেঞ্জারে কাস্টমার রোজ যা জিজ্ঞেস করেন, সেগুলোর উত্তর বিবরণেই দিয়ে দিন।
- ক্যাটাগরি। "শাড়ি", "কুর্তি", "নতুন এসেছে" এভাবে ভাগ করলে কাস্টমার সহজে খুঁজে পান।
ধাপ ৫: চেকআউট, ক্যাশ অন ডেলিভারি আর ডেলিভারি চার্জ
বাংলাদেশের ই-কমার্স ওয়েবসাইট বাইরের দেশের চেয়ে এখানেই আলাদা। বেশিরভাগ কাস্টমার ক্যাশ অন ডেলিভারিতে টাকা দেন, আর ডেলিভারি চার্জ নির্ভর করে তিনি কোথায় থাকেন তার ওপর।
একটা ভালো চেকআউটে যা থাকা উচিত:
- নাম, মোবাইল নাম্বার আর পুরো ঠিকানা, আর নাম্বারটা সঠিক বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার কিনা তা যাচাই।
- ঢাকার ভেতরে না বাইরে বেছে নেওয়ার অপশন, আর কনফার্ম করার আগেই সেই অনুযায়ী চার্জ দেখানো।
- চাইলে নির্দিষ্ট টাকার বেশি অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি, এতে গড় অর্ডারের পরিমাণ বাড়ে।
- একটা কনফার্মেশন পেজ, যেখানে অর্ডার নাম্বার আর ডেলিভারির সময় কত টাকা দিতে হবে তা লেখা থাকে।
একটা উদাহরণ ধরা যাক। ধরুন একটা শাড়ির দাম ৳২,০০০, আপনার ঢাকার ভেতরে চার্জ ৳৮০ আর বাইরে ৳১৫০। মিরপুরের কাস্টমার চেকআউটে দেখবেন মোট ৳২,০৮০, আর সিলেটের কাস্টমার দেখবেন ৳২,১৫০। দরজায় গিয়ে কেউ অবাক হবেন না। (চার্জগুলো শুধু উদাহরণ, আপনার কুরিয়ারের বর্তমান রেট দেখে নিজের চার্জ ঠিক করুন।)
EasyMall এ ঢাকার ভেতরে-বাইরের চার্জ আর ফ্রি ডেলিভারির পরিমাণ ওয়েবসাইট এডিটর থেকেই সেট করা যায়। প্রতিটা অর্ডার আলাদা নাম্বার পায়, স্টক নিজে নিজে কমে, আর ড্যাশবোর্ড থেকে অর্ডার কনফার্ম, ডেলিভারড, ক্যানসেল বা রিটার্ন করা যায়। ক্যানসেল বা রিটার্ন হলে স্টক আবার ফিরে আসে। আরও জানতে পড়ুন ক্যাশ অন ডেলিভারি সেটআপ ও ডেলিভারি চার্জ।
ডেলিভারি আর কাস্টমার সার্ভিসের প্রস্তুতি
ওয়েবসাইট অর্ডার নেবে, কিন্তু পার্সেল পাঠানো আর কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব আপনার। লঞ্চের আগে এই দুটো গুছিয়ে নিন।
ধাপ ৬: ডেলিভারি আর ফেক অর্ডারের পরিকল্পনা
প্রথম অর্ডার আসার আগেই ঠিক করুন কীভাবে পাঠাবেন। বেশিরভাগ অনলাইন শপ কুরিয়ারের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে, যারা আপনার কাছ থেকে পার্সেল নিয়ে যায় আর কাস্টমারের কাছ থেকে টাকা তুলে আপনাকে দেয়। কুরিয়ার তুলনা করুন কভারেজ, ডেলিভারির সময়, COD চার্জ আর কত দ্রুত টাকা দেয় সেগুলো দেখে। বিস্তারিত আছে অনলাইন ব্যবসার জন্য কুরিয়ার সার্ভিস লেখায়।
ক্যাশ অন ডেলিভারির সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হলো এমন অর্ডার, যেটা কাস্টমার শেষে নেন না। কয়েকটা সহজ অভ্যাস অনেক কাজে দেয়:
- নতুন কাস্টমার বা বেশি দামের অর্ডার ফোন করে কনফার্ম করুন।
- যে নাম্বার থেকে আগে রিটার্ন হয়েছে, সেটা খেয়াল রাখুন।
- বেশি দামের বা ঢাকার বাইরের অর্ডারে অল্প কিছু অগ্রিম নেওয়ার কথা ভাবুন।
ধাপ ৭: কাস্টমারের প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিন
ওয়েবসাইট থাকলেও কাস্টমার প্রশ্ন করবেন: "XL সাইজ আছে?", "চট্টগ্রামে কয় দিন লাগবে?", "এক্সচেঞ্জ করা যায়?" দ্রুত উত্তর না পেলে তারা অন্য পেজে চলে যান।
ওয়েবসাইটে একটা AI চ্যাট অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকলে সে আপনার নিজের প্রোডাক্ট, দাম, স্টক, ডেলিভারি চার্জ আর আপনার দেওয়া তথ্য থেকে বাংলা, বাংলিশ বা ইংরেজিতে উত্তর দিতে পারে। EasyMall এর ওয়েবসাইট চ্যাট অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করে আপনার রং আর লোগো দিয়ে সাজাতে পারবেন, আর রিটার্ন পলিসি, সাইজ চার্ট, সাধারণ প্রশ্নের উত্তর শিখিয়ে দিতে পারবেন। উত্তর জানা না থাকলে সে বানিয়ে বলে না, দোকানের যোগাযোগের তথ্য দেখিয়ে দেয়। বিস্তারিত পড়ুন ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের জন্য AI চ্যাটবট লেখায়।
ধাপ ৮: লঞ্চ করুন আর প্রথম ভিজিটর আনুন
ভিজিটর না এলে ওয়েবসাইট কিছুই বিক্রি করে না। লঞ্চের দিন যা করবেন:
- ফেসবুক পেজের বাটন, ইন্ট্রো আর পিন করা পোস্টে ওয়েবসাইটের লিংক দিন।
- মেসেঞ্জার আর হোয়াটসঅ্যাপে দাম আবার টাইপ না করে প্রোডাক্টের লিংক পাঠান।
- ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাডে সরাসরি প্রোডাক্ট পেজের লিংক দিন।
- প্যাকেট আর রসিদে ওয়েবসাইটের ঠিকানা প্রিন্ট করুন, যাতে কাস্টমার আবার সরাসরি অর্ডার করেন।
- পরিচিত কয়েকজনকে দিয়ে টেস্ট অর্ডার করিয়ে দেখুন সব ঠিকঠাক চলছে কিনা।
যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
- সবকিছু নিখুঁত হওয়ার অপেক্ষা। সেরা প্রোডাক্টগুলো দিয়ে শুরু করুন, বাকিটা পরে।
- ঝাপসা, অন্ধকার ছবি। ওয়েবসাইটে ছবি বড় দেখায়, তাই খারাপ ছবি আরও খারাপ লাগে।
- ডেলিভারি চার্জ লুকানো। দরজায় গিয়ে চার্জ দেখে অনেকে পার্সেল ফেরত দেন।
- ফোন নাম্বার না দেওয়া। অনেকে অর্ডারের আগে একবার কল করতে চান।
- ফেসবুক আর ওয়েবসাইটে আলাদা দাম। এতে কাস্টমারের বিশ্বাস কমে।
EasyMall দিয়ে শুরু করুন
EasyMall বানানো হয়েছে বাংলাদেশের অনলাইন সেলারদের জন্য। সাইন আপ করলেই পাবেন:
- ফ্রি easymall.app ঠিকানায় সাথে সাথে চালু একটা পুরো স্টোর ওয়েবসাইট, স্যাম্পল প্রোডাক্টসহ। পরে নিজের ডোমেইন লাগাতে পারবেন, SSL ফ্রি।
- কোডিং ছাড়াই প্রতিটা লেখা, ছবি আর রং বদলানোর এডিটর, লাইভ প্রিভিউসহ।
- ছবি, দাম, সেলের দাম, স্টক আর ক্যাটাগরিসহ প্রোডাক্ট, সাথে ফ্রি ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ।
- ঢাকার ভেতরে-বাইরে ডেলিভারি চার্জ আর ফ্রি ডেলিভারি অফারসহ ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট।
- অর্ডার ড্যাশবোর্ড, যেখানে স্টক নিজে নিজে আপডেট হয়।
- বাংলা, বাংলিশ ও ইংরেজিতে উত্তর দেওয়া ওয়েবসাইট চ্যাট অ্যাসিস্ট্যান্ট।
কুরিয়ার বুকিং আর bKash, Nagad ও কার্ডে অনলাইন পেমেন্ট শিগগিরই আসছে (coming soon)। কোনো কার্ড বা bKash ছাড়াই সারাজীবন ফ্রি স্টোর ওয়েবসাইট খুলুন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগে?
এটা নির্ভর করে আপনি কীভাবে বানাচ্ছেন তার ওপর। ডেভেলপার দিয়ে কাস্টম সাইট বানালে একবারে বড় খরচ, তারপর প্রতি বছর হোস্টিং ও মেইনটেন্যান্স। স্টোর বিল্ডার ব্যবহার করলে মাসিক বা বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন দিতে হয়, আর সাধারণত ফ্রি ট্রায়াল দিয়ে শুরু করা যায়। ডোমেইনের জন্য আলাদা করে বছরে একটা ফি রাখুন।
কোডিং না জেনে কি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানানো যায়?
হ্যাঁ, যায়। এখনকার স্টোর বিল্ডারগুলোতে লেখা, ছবি, রং বদলানো আর প্রোডাক্ট যোগ করা সবই ক্লিক করে করা যায়। কোডিং লাগে মূলত পুরোপুরি কাস্টম সাইট বানাতে।
ওয়েবসাইট বানালে কি ফেসবুক পেজ বন্ধ করে দেব?
একদমই না। ফেসবুক পেজ দিয়ে নতুন কাস্টমার আসবে, আর ওয়েবসাইটে তারা পুরো প্রোডাক্ট দেখে অর্ডার করবে। দুটো একসাথে চালানোই সবচেয়ে ভালো।
ওয়েবসাইটে কি ক্যাশ অন ডেলিভারি রাখা যায়?
হ্যাঁ, বাংলাদেশে বেশিরভাগ কাস্টমার এখনো ক্যাশ অন ডেলিভারিতেই টাকা দেন। চেকআউটে নাম, মোবাইল নাম্বার, পুরো ঠিকানা আর ডেলিভারি এরিয়া নেওয়া উচিত, আর কনফার্ম করার আগেই ডেলিভারি চার্জ দেখানো উচিত।
ওয়েবসাইট চালু করতে কত সময় লাগে?
স্টোর বিল্ডার দিয়ে সাধারণত এক দিনের মধ্যেই একটা বেসিক স্টোর চালু করা যায়। প্রোডাক্টের ছবি আর বিবরণ গুছিয়ে রাখলে আরও দ্রুত হয়। কাস্টম সাইট বানাতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ লাগে।
আজই আপনার অনলাইন শপ শুরু করুন
নিজের স্টোর ওয়েবসাইট, ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট আর বাংলায় উত্তর দেওয়া AI অ্যাসিস্ট্যান্ট। সারাজীবন ফ্রি, কোনো পেমেন্ট লাগবে না।
ফ্রি স্টোর খুলুন