এই লেখায়
বাংলাদেশে বেশিরভাগ অনলাইন ব্যবসার শুরু একটা ফেসবুক পেজ দিয়ে। খরচ নেই, কাস্টমার আগে থেকেই ফেসবুকে আছেন, আর একটা ভালো পোস্টে রাতারাতি অনেক অর্ডার চলে আসে। তাহলে প্রশ্ন আসে, ফেসবুকেই যখন চলছে, আলাদা করে ওয়েবসাইট কেন?
এই লেখায় খোলাখুলি দেখবো ফেসবুক পেজের জন্য ওয়েবসাইট আসলে কেন দরকার, কখন দরকার, শুধু ফেসবুকে নির্ভর করলে কী ঝুঁকি আছে, আর পেজ ও ওয়েবসাইট একসাথে কীভাবে চালালে সবচেয়ে বেশি লাভ।
ফেসবুক পেজ আর ওয়েবসাইট: কোনটা কী কাজে ভালো
সহজ করে বললে, ফেসবুক পেজ ভালো মানুষের কাছে পৌঁছাতে, আর ওয়েবসাইট ভালো অর্ডার নিতে আর ব্যবসাটা নিজের হাতে রাখতে। এরা একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী না। ফেসবুক কাস্টমারকে দোকানের দরজায় আনে, আর ওয়েবসাইট হলো সেই দোকান।
| বিষয় | ফেসবুক পেজ | নিজের ওয়েবসাইট |
|---|---|---|
| শুরুর খরচ | ফ্রি | স্টোর বিল্ডারে ফ্রি ট্রায়াল বা মাসিক ফি; ডোমেইনের জন্য বছরে ফি |
| নতুন কাস্টমার পাওয়া | খুব ভালো: ফিড, গ্রুপ, শেয়ার, অ্যাড | একা দুর্বল; ফেসবুক বা গুগল থেকে ভিজিটর আনতে হয় |
| সব প্রোডাক্ট দেখানো | পোস্ট নিচে চাপা পড়ে যায় | সব প্রোডাক্ট, দাম, স্টক এক জায়গায় |
| অর্ডার নেওয়া | কমেন্ট আর মেসেঞ্জারে হাতে হাতে | কাস্টমার নিজেই চেকআউট করে, যেকোনো সময় |
| অর্ডারের তথ্য | নাম, নাম্বার, ঠিকানা টুকরো টুকরো আসে | প্রতিবার একই ফরম্যাটে, নাম্বার যাচাই করা |
| ডেলিভারি চার্জ | প্রতিটা চ্যাটে আবার লিখতে হয় | ঢাকার ভেতরে-বাইরে নিজে নিজে দেখায় |
| গুগল সার্চ | পোস্ট খুব কমই সার্চে আসে | প্রোডাক্ট পেজ বছরের পর বছর সার্চে আসতে পারে |
| নিয়ন্ত্রণ | ফেসবুকের নিয়ম আর অ্যালগরিদম | আপনার ডোমেইন, আপনার ডিজাইন, আপনার কাস্টমার লিস্ট |
দেখতেই পাচ্ছেন, কেউ একা সব জায়গায় জেতে না। তাই উত্তর সাধারণত "দুটোই"।
ফেসবুক পেজ যেখানে সত্যিই সেরা
ফেসবুকের প্রতি ন্যায্য থাকা দরকার। এফ-কমার্সে কিছু কাজ ফেসবুক যেভাবে করে, ওয়েবসাইট একা তা পারে না:
- নতুন মানুষের কাছে পৌঁছানো। একটা শাড়ি পরানোর ভিডিও বা গ্যাজেট আনবক্সিং হাজারো মানুষের কাছে যেতে পারে, যারা আপনাকে খুঁজছিলেন না।
- কথোপকথন। "আপু, ছবির মতোই কি রং?" অনেকে কেনার আগে একটু কথা বলতে চান। মেসেঞ্জারে সেটা আপন মনে হয়।
- সোশ্যাল প্রুফ। কমেন্ট, রিভিউ, শেয়ার দেখে নতুন কাস্টমার ভরসা পান।
- অ্যাড। এলাকা, বয়স আর আগ্রহ দেখে টার্গেট করা যায়, যেমন চট্টগ্রামের ফ্যাশনে আগ্রহী মেয়েরা। অল্প বাজেট দিয়েও শুরু করা যায়।
- কমিউনিটি। লাইভ, গিভঅ্যাওয়ে আর ঈদ বা পূজার কালেকশন লঞ্চ দিয়ে নিয়মিত ফলোয়ার তৈরি হয়।
তাই লক্ষ্য কখনোই ফেসবুক ছেড়ে দেওয়া না। লক্ষ্য হলো ফেসবুকের পাশে একটা শক্ত ভিত্তি গড়া।
ফেসবুক পেজের জন্য ওয়েবসাইট কেন দরকার
পেজ যত বড় হয়, কিছু সমস্যা তত বাড়ে। ওয়েবসাইট ঠিক সেগুলোই সমাধান করে।
কাস্টমারকে আপনার উত্তরের জন্য বসে থাকতে হয় না
ধরুন মিরপুরে আপনার শাড়ির পেজ। রাত ৯টায় নতুন কালেকশন পোস্ট করলেন। মাঝরাতের মধ্যে ৮০টা কমেন্টে "প্রাইস?" আর ৩০টা মেসেজ। সবাইকে দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব না, আর প্রতি ঘণ্টা দেরিতে কাস্টমার হারান। ওয়েবসাইটে দাম, ছবি, সাইজ, স্টক আর ডেলিভারি চার্জ আগে থেকেই আছে, কাস্টমার রাত ২টায়ও নিজে অর্ডার দিতে পারেন।
অর্ডার আসে পুরো আর সঠিক
মেসেঞ্জারে প্রায়ই এক মেসেজে "মিরপুর ১০", তিন মেসেজ পরে নাম, আর সাইজের কথা কেউ বলেনই না। ওয়েবসাইটের চেকআউট প্রতিবার নাম, সঠিক বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার, পুরো ঠিকানা আর ডেলিভারি এরিয়া নেয়। ভুল কম মানে ফেরত আসা পার্সেলও কম।
এক লিংকে পুরো দোকান
একটা পোস্ট একটা প্রোডাক্ট দেখায়, আর এক-দুই দিনে ফিড থেকে হারিয়ে যায়। ওয়েবসাইটের একটা লিংকে সব প্রোডাক্ট। বায়ো, হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস, অ্যাড, প্যাকেট, ভিজিটিং কার্ড সব জায়গায় দেওয়া যায়।
গুগলে খুঁজে পাওয়া যায়
অনেকে গুগলে "সুতি কুর্তি অনলাইন" বা "gaming mouse price in Chattogram" লিখে খোঁজেন। ফেসবুক পোস্ট এসব সার্চে খুব কমই আসে, কিন্তু পরিষ্কার নাম আর বিবরণসহ প্রোডাক্ট পেজ আসতে পারে।
শুধু ফেসবুকে নির্ভর করার ঝুঁকি
অনেক সেলার এটা নিয়ে ভাবেন কিছু একটা খারাপ হওয়ার পরে। আগেই জেনে রাখুন।
রিচ ওঠানামা করে
আপনার কতজন ফলোয়ার কোন পোস্ট দেখবেন, সেটা ঠিক করে ফেসবুক, আর ফিড কীভাবে কাজ করবে তা সময়ে সময়ে বদলায়। হাজার হাজার ফলোয়ার থাকলেও একটা সাধারণ পোস্ট হয়তো তাদের ছোট একটা অংশই দেখেন। রিচ কমলে বিক্রি কমে, আর তখন সমাধান সাধারণত বেশি টাকার অ্যাড। এটা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই।
পেজ বা অ্যাড অ্যাকাউন্ট রেস্ট্রিক্ট হতে পারে
ফেসবুক কোনো নিয়ম ভাঙা হয়েছে মনে করলে পেজ, অ্যাড অ্যাকাউন্ট বা পার্সোনাল প্রোফাইল রেস্ট্রিক্ট করতে পারে। কারণ হতে পারে পলিসি সমস্যা, রিপোর্ট করা পোস্ট, হ্যাক হওয়া অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট, বা নিছক ভুল। রিভিউ হতে সময় লাগতে পারে। শুধু পেজনির্ভর সেলার তখন একসাথে ক্যাটালগ, অর্ডারের ইনবক্স আর অ্যাড সব হারান।
কাস্টমার লিস্ট আটকে থাকে ফেসবুকের ভেতরে
শুধু মেসেঞ্জারে অর্ডার নিলে কাস্টমারের তথ্য শত শত চ্যাটে ছড়িয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে অর্ডার নিলে প্রতিটা কাস্টমারের নাম, নাম্বার আর ঠিকানার একটা গোছানো লিস্ট আপনার হাতে থাকে, যা ঈদের অফার বা নতুন কালেকশনের খবর দিতে কাজে লাগে।
ঈদ-পূজার ভিড়ে ইনবক্স সামলানো যায় না
উৎসবের মৌসুমে মেসেজ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শুধু পেজ থাকলে হয় বাড়তি লোক রাখতে হয়, নয়তো অর্ডার হারাতে হয়। ওয়েবসাইট ব্যস্ত রাত আর সাধারণ রাত একইভাবে সামলায়।
কখন বুঝবেন এখন ওয়েবসাইট দরকার
নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই, তবে এই লক্ষণগুলো দেখলে সময় হয়েছে:
- প্রতিদিন কয়েকটার বেশি অর্ডার আসে, আর দাম-চার্জ টাইপ করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যায়।
- রোজ একই প্রশ্ন: দাম, সাইজ, রং, কয় দিনে ডেলিভারি, চার্জ কত, এক্সচেঞ্জ হবে কিনা।
- ভুল ঠিকানা বা নাম্বারের কারণে পার্সেল ফেরত আসে।
- অ্যাডে টাকা খরচ করছেন, আর চান মানুষ এমন পেজে আসুক যেখান থেকে সাথে সাথে অর্ডার করা যায়।
- প্রোডাক্ট এত বেশি যে কয়েকটা অ্যালবামে আর গুছিয়ে রাখা যায় না।
ধরুন সিলেটে একজন বাসায় রান্না করা খাবার বিক্রি করেন। ফেসবুকে প্রতিটা অর্ডার মানে মেন্যু, পরিমাণ, এলাকা আর সময় নিয়ে লম্বা চ্যাট। একটা সহজ ওয়েবসাইট থাকলে কাস্টমার নিজেই আইটেম বেছে, ডেলিভারি চার্জ দেখে অর্ডার দেন, আর তিনি শুধু কনফার্ম করে রান্না শুরু করেন। কাস্টমার তখনও ফেসবুক থেকেই আসেন, কিন্তু ইনবক্সের চাপ কমে যায়।
শুরুতে ওয়েবসাইটে কী কী থাকলেই চলবে
অনেকে ভাবেন ওয়েবসাইট মানে বিশাল কাজ। আসলে শুরুতে এটুকু থাকলেই যথেষ্ট:
- আপনার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ১০-১৫টা প্রোডাক্ট, পরিষ্কার ছবি, দাম আর স্টকসহ।
- প্রতিটা প্রোডাক্টে সাইজ, মাপ, কাপড় বা উপকরণের মতো দরকারি তথ্য।
- ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, যেখানে ঢাকার ভেতরে আর বাইরের ডেলিভারি চার্জ আগেই দেখা যায়।
- ফোন নাম্বার, হোয়াটসঅ্যাপ আর ফেসবুক পেজের লিংক, যাতে কাস্টমার চাইলে কথা বলতে পারেন।
- ডেলিভারির সময়, এক্সচেঞ্জ আর রিটার্নের নিয়ম, ছোট করে লেখা।
বাকি সবকিছু ধীরে ধীরে যোগ করা যায়। প্রথম দিনেই নিখুঁত হওয়ার দরকার নেই, দরকার শুধু কাস্টমার যেন সহজে অর্ডার দিতে পারেন।
ওয়েবসাইট বানাতে তৈরি হলে পড়ুন ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার নিয়ম। আর যদি এখনো ব্যবসার শুরুর দিকে থাকেন, দেখুন অনলাইন ব্যবসা শুরু করার নিয়ম।
ফেসবুক পেজ আর ওয়েবসাইট একসাথে চালানোর নিয়ম
সবচেয়ে কার্যকর সেটআপটা সহজ: ফেসবুক মনোযোগ আর কথোপকথনের জন্য, ওয়েবসাইট দেখা আর অর্ডারের জন্য। দুটো জোড়া লাগানোর উপায়:
- পেজে লিংক দিন। পেজের ইন্ট্রো আর ওয়েবসাইট ফিল্ডে লিংক দিন, অ্যাকশন বাটন সেট করুন শপ বা ওয়েবসাইট লিংকে।
- একটা পোস্ট পিন করুন। সেরা প্রোডাক্টগুলোর ছবি আর ওয়েবসাইটের লিংকসহ পোস্ট পেজের ওপরে পিন করে রাখুন।
- প্রতিটা প্রোডাক্ট পোস্টে লিংক। পোস্টে সেই প্রোডাক্টের পেজের সরাসরি লিংক দিন, যাতে কাস্টমার জিজ্ঞেস না করেই সাইজ দেখে অর্ডার দিতে পারেন।
- মেসেঞ্জারে লিংক দিয়ে উত্তর। কেউ "প্রাইস?" লিখলে একটা ভদ্র লাইন আর প্রোডাক্টের লিংক পাঠান।
- অ্যাড পাঠান প্রোডাক্ট পেজে। অ্যাডের ডেস্টিনেশন হোমপেজ না, সেই প্রোডাক্টের পেজ দিন।
- প্রশ্নের জন্য মেসেঞ্জার খোলা রাখুন। কেউ কেউ কথা বলেই কিনবেন, সমস্যা নেই। উত্তর দিয়ে অর্ডারের জন্য লিংক পাঠান।
- অফলাইনেও লিংক। প্যাকেট, স্টিকার আর রসিদে ওয়েবসাইটের ঠিকানা প্রিন্ট করুন।
একটা সহজ সাপ্তাহিক রুটিন
পেজ আর ওয়েবসাইট একসাথে চালানো কঠিন কিছু না, শুধু একটা নিয়ম মেনে চললেই হয়:
- সপ্তাহে ৪-৬ বার ফেসবুকে পোস্ট করুন, প্রতিটা পোস্টে একটা প্রোডাক্ট বা কালেকশনের লিংক।
- নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে পোস্ট করার আগে সেটা ওয়েবসাইটে তুলে রাখুন, যাতে লিংক কাজ করে।
- প্রতিদিন সকালে ওয়েবসাইটের অর্ডার দেখুন, নতুন কাস্টমার বা বেশি দামের অর্ডার ফোনে কনফার্ম করুন।
- সপ্তাহে একবার দেখুন কোন প্রোডাক্ট ওয়েবসাইট থেকে বেশি বিক্রি হচ্ছে, তারপর সেগুলো নিয়ে ফেসবুকে আরও পোস্ট বা অ্যাড দিন।
যে ভুলগুলো করবেন না
- ওয়েবসাইট বানিয়ে কোথাও লিংক না দেওয়া। শুরুতে ভিজিটর আসবে মূলত ফেসবুক থেকেই।
- ফেসবুক আর ওয়েবসাইটে আলাদা দাম রাখা।
- ডেলিভারি চার্জ লুকিয়ে রাখা।
- ক্যাশ অন ডেলিভারির অর্ডার কনফার্ম না করা। কীভাবে করবেন তা আছে ফেক অর্ডার কমানোর উপায় লেখায়।
EasyMall দিয়ে শুরু করুন
EasyMall বানানো হয়েছে বাংলাদেশের ফেসবুক সেলারদের জন্য, যারা ডেভেলপার ছাড়াই একটা ঠিকঠাক ওয়েবসাইট চান:
- সাইন আপ করলেই ফ্রি yourshop.easymall.app ঠিকানায় চালু স্টোর, পরে নিজের ডোমেইন লাগানো যায় (SSL ফ্রি)।
- প্রতিটা প্রোডাক্টের আলাদা পেজ, তাই ফেসবুক পোস্ট আর মেসেঞ্জারে সরাসরি লিংক দেওয়া যায়।
- ঢাকার ভেতরে-বাইরে ডেলিভারি চার্জসহ ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার যাচাইসহ।
- অর্ডার ড্যাশবোর্ড, যেখানে স্টক নিজে নিজে কমে আর ক্যানসেল হলে ফিরে আসে।
- ওয়েবসাইটে AI চ্যাট অ্যাসিস্ট্যান্ট, যে আপনার প্রোডাক্ট আর তথ্য থেকে বাংলা, বাংলিশ বা ইংরেজিতে উত্তর দেয়। আরও জানুন AI চ্যাটবট নিয়ে লেখায়।
ফেসবুক মেসেঞ্জার আর কমেন্টে অটো-রিপ্লাই শিগগিরই আসছে (coming soon)। আপনার ফেসবুক পেজ যেমন আছে তেমনই থাকবে, শুধু পাশে একটা ওয়েবসাইট যোগ হবে। কোনো কার্ড বা bKash ছাড়াই সারাজীবন ফ্রি স্টোর ওয়েবসাইট খুলুন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
শুধু ফেসবুক পেজ দিয়ে কি অনলাইন ব্যবসা চালানো যায়?
হ্যাঁ, অনেকেই চালান, বিশেষ করে শুরুতে। কিন্তু অর্ডার বাড়লে মেসেঞ্জারে হাতে হাতে সব অর্ডার নেওয়া কঠিন হয়ে যায়, ভুল ঠিকানা আর দেরিতে উত্তরের কারণে অর্ডার হারাতে হয়। তখন ওয়েবসাইট যোগ করলে কাজ অনেক সহজ হয়।
ওয়েবসাইট থাকলে কি ফেসবুকে পোস্ট করা লাগবে না?
লাগবে। বাংলাদেশে নতুন কাস্টমার বেশিরভাগ আসেন ফেসবুক থেকেই। ফেসবুকে পোস্ট আর অ্যাড চালিয়ে যান, শুধু প্রতিটা পোস্টে ওয়েবসাইটের প্রোডাক্ট লিংক দিন।
ফেসবুক পেজ রেস্ট্রিক্ট বা হ্যাক হলে কী করব?
দ্রুত ফেসবুকের সাপোর্ট ও রিকভারি অপশন দিয়ে চেষ্টা করুন, আর এর মধ্যে ওয়েবসাইট, হোয়াটসঅ্যাপ ও আগের কাস্টমারদের নাম্বার দিয়ে বিক্রি চালিয়ে যান। আগে থেকেই পেজের সব অ্যাডমিনের টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন, তাহলে ঝুঁকি অনেক কমে।
ছোট ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট বানাতে কি অনেক খরচ?
সব সময় না। কাস্টম সাইট বানাতে খরচ বেশি, কিন্তু স্টোর বিল্ডারে সাধারণত ফ্রি ট্রায়াল দিয়ে শুরু করে পরে মাসিক বা বাৎসরিক ফি দিতে হয়। নিজের ডোমেইন নিলে তার জন্য বছরে আলাদা ফি লাগে।
ফেসবুক পেজে ওয়েবসাইটের লিংক কোথায় দেব?
পেজের ইন্ট্রো ও ওয়েবসাইট ফিল্ডে, অ্যাকশন বাটনে, একটা পিন করা পোস্টে আর প্রতিটা প্রোডাক্ট পোস্টে। মেসেঞ্জারে উত্তর দেওয়ার সময়ও প্রোডাক্টের লিংক পাঠান।
আজই আপনার অনলাইন শপ শুরু করুন
নিজের স্টোর ওয়েবসাইট, ক্যাশ অন ডেলিভারি চেকআউট, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট আর বাংলায় উত্তর দেওয়া AI অ্যাসিস্ট্যান্ট। সারাজীবন ফ্রি, কোনো পেমেন্ট লাগবে না।
ফ্রি স্টোর খুলুন